CoronaVirus । করোনা এবং কিছু কথা।।




সৃস্টিকর্তাও না আজ হাসতেছে! কিয়ামতের দিন সৃস্টিকর্তা প্রত্যেকটা জিনিষের নাম ধরে ধরে জিজ্ঞেস করবে যে কোথায় গেল তোর ক্ষমতা? প্রদর্শন কর। সবার সামনে। তখন কেউ কিছুই করতে পারবে না।
পৃথিবীর যে বর্তমানে বেহাল দশা না এটার জন্যে আমরা খোদ নিজেরাই দায়ী এতে কোন সন্দেহ নেই। সেদিন একটা রিপোর্ট দেখলাম যে নাসা থেকে দাবি করা হচ্ছে বর্তমানে প্রচলিত নোবেল করোনা ভাইরাস সেটা নাকি মহাশুন্যে থেকে আগত কোন ভাইরাস। ইন্টারনেট সার্চ করলেই এই নিউজ পেতে সময় লাগবে না। তবে হ্যা কিছু কিছু মানুষ আছে যারা তো সৃস্টিকর্তাকেও বিশ্বাসও করে না৷ আরেকটা রিপোর্ট এর কথা বলি যেটা বর্তমানে ফেসবুকে বেশ ভাইরাল বলা যায়। একজন লেখক যে কিনা, উনিশ্ শতকেই আচ করেছিলেন যে এমন কিছু হতে পারে। লেখকের নাম, "সিলভিয়া ব্রাউনি" বই, "ইন্ড অফ ডেইস"। সেখানে তিনি ছোট্ট একটি প্রচ্ছদ লিখেছেন এই করনা ভাইরাস নিয়ে, যেখানে তিনি একেবারে উল্ল্যেখ ই করে দিয়েছেন যে ২০২০ সাল নাগাদ এই রকম একটা ভাইরাসের উপস্তিতি ঘটবে৷ In around 2020 a severe pneumonia like illness will spread throughout the globs.
এই ধরনের হাইপোথিসিস অনেক ধারনাই অনেকেই আগেই অনেক লেখক বা রির্সার্চাররা দিয়েছিল কিন্তু আমরা তা গ্রাহ্য করেনি। আমি এখনোই বলতে চাইনা যে এটা সৃস্টিকর্তার পক্ষ থেকে পৃথিবীর জন্যে কোন গজব, হ্যা আবার উরিয়েও দেওয়া যায় না। তারপক্ষে একটা প্রমান হলো, যারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসী, রাসুল (সাঃ) তার অনুসারীদের জন্যে সৃস্টিকর্তার কাছে দোআ করেছিলেন যে, হে সৃস্টিকর্তা আমার অনুসারীদের একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দিও না।
যারা ইসলাম কে বিশ্বাস করে তারা এটা দেখে কিছুটা ভালো লাগতে পারে। কিন্তু আসলে সেরকম না।
একটা স্টেটমেন্ট নিয়ে আসা যাক, বেস্ট সেলিং একটা ইউএস ম্যাগাজিন "ডিন কন্তয" লেখক তিনিও প্রেডিক্ট করেছিলেন যে এইরকম একটা ভাইরাস আবির্ভাব হতে পারে তিনি এটা নাম দিয়েছিলেন, WUHAN-400। ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদের নাম ছিল The Eyes of Darkness। ইন্টারনেট থেকে যে কেউ পেয়ে যাবে।
তবে যে হারে এই ভাইরাস ছরাচ্ছে পুরো পৃথিবীর মধ্যে, এটা যে খুব দ্রুত সব দেশে ছরিয়ে পরবে তা নিয়ে কারো সন্দেহ থাকার কথা না। কিন্তু কতদিন চলতে থাকবে এটা, সেদিন ইউটিউবে একটা ভাইরাল হওয়া ভিডিও দেখলাম যে এক ব্যাক্তি স্বপ্নে দেখেছে যে তার সাথে নাকি করোনার কোন কানেক্ট হয়েছে, তিনি একটি ইকিউশন নাকি দিয়েছেন যেটা অনেকেই দেখলাম বিশ্লেষণ ও করেছেন এবং তাদের বিশ্লেষণ এর ধারনা যে এটা নাকি ১৩ মাস ইস্থায়ী হবে, যাইহোক এটা ভুল হতে পারে। তাই এই বিষয় নিয়ে কিছু বলতে চাই না৷ কিন্তু সম্যক দৃস্টিদিয়ে আমরা বিবেচনা করলে যে কেউ অনায়াসেই বলে দিতে পারবে যে এই ভাইরাস পৃথিবী থেকে এত দ্রুত ভ্যানিশ হচ্ছে না। বর্তমানে অনেক ডাক্তার আছে যারা আশারবানী শুনাচ্ছে কিন্তু বর্তমানে যেসব বড় বড় দেশ আক্রাক্ত হচ্ছে তারা কি কম সচেতন ছিলেন আমাদের থেকে ! তারা কেন আক্রান্তু হইলো । তাই বলা বলা যায় এটা এইসব মাস্ক বা আরো অন্যেসব সচেতনা বাড়িয়ে হয়ত নিজের স্যাটিশফিকেসন পাওয়া যাবে কিন্তু ভাইরাস থেকে মুক্তি পাবে না কেউ।।
একেরপর এক দেশ আক্রান্ত হচ্ছে এবং অন্যে অন্যে দেশের সাথে সে দেশের যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে। সেদিন এক বিজ্ঞ ব্যাক্তিকে (রিসার্চার) বলতে শুনলাম, এই রোগের জন্যে নাকি সরাসরি কোন ভ্যাক্সিন ই তৈরি করা পসিবল হবে না। সাধারন মানুষের পক্ষে। তাহলে আর উপায় কি থাকলো, একমাত্র সৃস্টিকর্তার সমপর্নে নিজেকে সপে দেওয়া। এছারা সেদিন আল-জাজিরাতে একটা রিপোর্ট দেখলাম, বিশ্বের অনেক দেশের বড় মুসলিম কমিউনিটি নেতারা একটা কথাই বলতেছে সেটা সৃস্টিকর্তার কাছে ক্ষমা চাও, যে যার কওমের জন্যে। অনেকের ভিন্ন মত থাকতে পারে, তবে আমি এটাই মনে করি।। তবে চাইবো দ্রুত পৃথিবীর মধ্যে থেকে এই ভাইরাস যেনো বিলুপ্ত হয়ে যায়।।

No comments

Theme images by luoman. Powered by Blogger.