যারা সেকেন্ড হ্যান্ড বা নতুন ল্যাপটপ কিনেন তাদের জন্য কিছু টিপস।
যারা সেকেন্ড হ্যান্ড বা নতুন ল্যাপটপ কিনেন তাদের জন্য কিছু টিপস।
1) 2nd হ্যান্ড Laptop কিনার ক্ষেত্রে কি করবেন? প্রথমে দেখবেন আপনার প্রসেসর কোন জেনারেশনের? বর্তমানে মার্কেটে 10th জেনারেশনের প্রসেসরের ল্যাপটপ পাওয়া যায়। core i3 ল্যাপটপ যদি 5th /6th জেনারেশন হয়ে থাকে আর Core i5 যদি 2nd হয় তাইলে Core i3 ল্যাপটপই ব্যাটার। 1st এবং 2nd জেনারেশন ল্যাপটপ গুলোতে কনফিগারেশন কম থাকে কিন্তু দাম থাকে অনেক বেশি কারণ ঐ গুলো অনেক আগে বের হয়েছে। ইলেক্ট্রনিকস জিনিষের সূত্র হল যত দিন যায় তত আপডেট হয় এবং দাম কমে ।নোটঃ (২ নাম্বার) এইটা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ......
2) বিক্রেতা বলছে বিদেশ থেকে ল্যাপটপে আসছে মাত্র ১-২ মাস ইউস করা অথচ ল্যাপটপ 2nd/3rd জেনারেশন। বিশ্বাস করবেন না কারণ বাংলাদেশের মার্কেটে (IDB, গ্লোবাল, কম্পিউটার সোর্স, রায়েন্স, ফ্লোরা ) আপনি নতুন ল্যাপটপে কিনতে গেলে বর্তমানে 4th জেনারেশনের ল্যাপটপ পাবেন না। সেখানে বিদেশ থেকে ১-২ মাস আগে কি করে সেকেন্ড জেনারেশন ল্যাপটপ আসবে?
3) বর্তমানে 500 GB এর নিচে কোন ল্যাপটপ বের হয় না সো যেই ল্যাপটপ রিসেন্টলি রিলিজ হইছে বাট হার্ডডিস্ক 320 GB বা এর কম মনে করবেন ঘাপলা আছে। SSD 128/256 হলে ঠিক আছে.
4) ল্যাপটপের RAM টা 4 GB বা এর বেশি রাখার চেষ্টা করবেন কারণ RAM এর উপরেই ল্যাপটপের স্প্রিড অনেকটা নির্ভর করে। পারলে গ্রাফিক্স সহ কিনেন অথবা ইন্টারনাল গ্রাফিক্স দেখে নিয়েন। 4th GEn ল্যাপটপের মিনিমাম HD গ্রাফিক্স থাকে 4400 (1769 MB) আর 5th GEn এরটায় থাকে 5500 ( 2000 MB )
5) কোন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনব ? সেটা আপনার বাজেটের উপরে নির্ভর করে। সনি, অ্যাপল , ফুজিতসু এই ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের দাম অন্য ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ থেকে অনেক বেশি। আর Dell , Asus , Acer , HP , Lenovo , TOSHIBA , এই ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ গুলো সমজাতীয় , হয়ত 19-20 এর বাইরে হলে কেউ মার্কেটে টিকে থাকতে পারত না। যেমন সিম্ফনি মোবাইল আর Walton মোবাইল।
6) পুরাতন ল্যাপটপ কিনার সময় কি কি চেক করব? ল্যাপটপের প্রতিটা কি মানে বাটন একটা একটা করে চেক করবেন কারণ একটা কি খারাপ হলে পুরা কিবোর্ড চেঞ্জ করতে হবে। USB পোর্ট গুলো চেক করবেন। ওয়েবক্যাম , সাউন্ড , DVD ROM ইত্যাদি চেক করে নিবেন।
7 ) অন্য দেশ থেকে আসা ল্যাপটপ আর আমাদের দেশের ল্যাপটপে কি কোন পার্থক্য আছে? না নাই কারণ বাংলাদেশে কোন ল্যাপটপ উৎপাদন হয় না ( দোয়েল ছাড়া) তাই সব ল্যাপটপই বিদেশী।
8 ) একটা ল্যাপটপে এভারেজ কতক্ষণ চার্জ থাকে? সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা।গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ warranty ২ ধরণের হয়
১ ) সার্ভিস warranty বা লেবার ওয়ারেন্টি ২ ) পার্টস অ্যান্ড লেবার warranty বা কোম্পানির ওয়ারেন্টি।
১) সার্ভিস warranty হল আপনার ল্যাপটপের কোন পার্টস নষ্ট হলে তারা ঠিক করে দিবে কোন সার্ভিস চার্জ নিবে না কিন্তু পার্টস আপনার নিজের টাকায় কিনতে হবে। এই ধরণের ওয়ারেন্টি সাধারণত বসুন্ধরা সিটি এবং এলিফেন্ট রোডের দোকান গুলোতে দিয়া থাকে সাধারণ ক্রেতা না বুঝেই কিনে ফেলে পরে ঝামেলায় পরে।
২) পার্টস অ্যান্ড লেবার warranty বা কোম্পানির ওয়ারেন্টি । কোম্পানির ওয়ারেন্টি এটাই মূলত আসল warranty, warranty মেয়াদ চাল কালে সকল ধরণের সমস্যা কোম্পানি ফ্রি দিয়ে থাকে আপনার পকেট থেকে এক টাকাও বারতি খরচ করতে হবে না।
মাসুম রিয়াদ
1) 2nd হ্যান্ড Laptop কিনার ক্ষেত্রে কি করবেন? প্রথমে দেখবেন আপনার প্রসেসর কোন জেনারেশনের? বর্তমানে মার্কেটে 10th জেনারেশনের প্রসেসরের ল্যাপটপ পাওয়া যায়। core i3 ল্যাপটপ যদি 5th /6th জেনারেশন হয়ে থাকে আর Core i5 যদি 2nd হয় তাইলে Core i3 ল্যাপটপই ব্যাটার। 1st এবং 2nd জেনারেশন ল্যাপটপ গুলোতে কনফিগারেশন কম থাকে কিন্তু দাম থাকে অনেক বেশি কারণ ঐ গুলো অনেক আগে বের হয়েছে। ইলেক্ট্রনিকস জিনিষের সূত্র হল যত দিন যায় তত আপডেট হয় এবং দাম কমে ।নোটঃ (২ নাম্বার) এইটা খুবই গুরুত্ব পূর্ণ......
2) বিক্রেতা বলছে বিদেশ থেকে ল্যাপটপে আসছে মাত্র ১-২ মাস ইউস করা অথচ ল্যাপটপ 2nd/3rd জেনারেশন। বিশ্বাস করবেন না কারণ বাংলাদেশের মার্কেটে (IDB, গ্লোবাল, কম্পিউটার সোর্স, রায়েন্স, ফ্লোরা ) আপনি নতুন ল্যাপটপে কিনতে গেলে বর্তমানে 4th জেনারেশনের ল্যাপটপ পাবেন না। সেখানে বিদেশ থেকে ১-২ মাস আগে কি করে সেকেন্ড জেনারেশন ল্যাপটপ আসবে?
3) বর্তমানে 500 GB এর নিচে কোন ল্যাপটপ বের হয় না সো যেই ল্যাপটপ রিসেন্টলি রিলিজ হইছে বাট হার্ডডিস্ক 320 GB বা এর কম মনে করবেন ঘাপলা আছে। SSD 128/256 হলে ঠিক আছে.
4) ল্যাপটপের RAM টা 4 GB বা এর বেশি রাখার চেষ্টা করবেন কারণ RAM এর উপরেই ল্যাপটপের স্প্রিড অনেকটা নির্ভর করে। পারলে গ্রাফিক্স সহ কিনেন অথবা ইন্টারনাল গ্রাফিক্স দেখে নিয়েন। 4th GEn ল্যাপটপের মিনিমাম HD গ্রাফিক্স থাকে 4400 (1769 MB) আর 5th GEn এরটায় থাকে 5500 ( 2000 MB )
5) কোন ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ কিনব ? সেটা আপনার বাজেটের উপরে নির্ভর করে। সনি, অ্যাপল , ফুজিতসু এই ব্র্যান্ডের ল্যাপটপের দাম অন্য ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ থেকে অনেক বেশি। আর Dell , Asus , Acer , HP , Lenovo , TOSHIBA , এই ব্র্যান্ডের ল্যাপটপ গুলো সমজাতীয় , হয়ত 19-20 এর বাইরে হলে কেউ মার্কেটে টিকে থাকতে পারত না। যেমন সিম্ফনি মোবাইল আর Walton মোবাইল।
6) পুরাতন ল্যাপটপ কিনার সময় কি কি চেক করব? ল্যাপটপের প্রতিটা কি মানে বাটন একটা একটা করে চেক করবেন কারণ একটা কি খারাপ হলে পুরা কিবোর্ড চেঞ্জ করতে হবে। USB পোর্ট গুলো চেক করবেন। ওয়েবক্যাম , সাউন্ড , DVD ROM ইত্যাদি চেক করে নিবেন।
7 ) অন্য দেশ থেকে আসা ল্যাপটপ আর আমাদের দেশের ল্যাপটপে কি কোন পার্থক্য আছে? না নাই কারণ বাংলাদেশে কোন ল্যাপটপ উৎপাদন হয় না ( দোয়েল ছাড়া) তাই সব ল্যাপটপই বিদেশী।
8 ) একটা ল্যাপটপে এভারেজ কতক্ষণ চার্জ থাকে? সাধারণত ৩-৪ ঘণ্টা।গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ warranty ২ ধরণের হয়
১ ) সার্ভিস warranty বা লেবার ওয়ারেন্টি ২ ) পার্টস অ্যান্ড লেবার warranty বা কোম্পানির ওয়ারেন্টি।
১) সার্ভিস warranty হল আপনার ল্যাপটপের কোন পার্টস নষ্ট হলে তারা ঠিক করে দিবে কোন সার্ভিস চার্জ নিবে না কিন্তু পার্টস আপনার নিজের টাকায় কিনতে হবে। এই ধরণের ওয়ারেন্টি সাধারণত বসুন্ধরা সিটি এবং এলিফেন্ট রোডের দোকান গুলোতে দিয়া থাকে সাধারণ ক্রেতা না বুঝেই কিনে ফেলে পরে ঝামেলায় পরে।
২) পার্টস অ্যান্ড লেবার warranty বা কোম্পানির ওয়ারেন্টি । কোম্পানির ওয়ারেন্টি এটাই মূলত আসল warranty, warranty মেয়াদ চাল কালে সকল ধরণের সমস্যা কোম্পানি ফ্রি দিয়ে থাকে আপনার পকেট থেকে এক টাকাও বারতি খরচ করতে হবে না।
মাসুম রিয়াদ


No comments