The Power of Processor। প্রসেসর এর পাওয়ার।।





The Power of Processor

কম্পিউটারের সকল কাজ সম্পাদন করে প্রসেসর মাধ্যেমে। তাই বলা যায় আমাদের ল্যাপটপ অথবা পিসি তে একটি পাওয়ার ফুল প্রসেসর থাকা জরুরী। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কি ধরনের প্রসেসর সবচেয়ে বেশি পাওয়ারফুল তা কি করে বুঝবো?

.প্রসেসরের কাজ করার ক্ষমতা বোঝায় যায় ক্লক স্পীড দিয়ে। ক্লক স্পীড বলতে যা বুঝি তা হলো প্রসেসর প্রতি সেকেন্ড কতবার অন-অফ হতে পারে তার সংখ্যাকে। আর বলা যায় এই অন-অফ মানেই হচ্ছে ওয়ান এবং জিরো। তার মানে এর মধ্যে বিভিন্ন কাজ হওয়া।ধরুন  ২ কিলোহার্জ ক্লক স্পীডের একটি প্রসেসর সেকেন্ডে ২ হাজার বার অন-অফ হতে পারে।আবার যদি ২ মেগাহার্জ হয় তাহলে ২০ লক্ষ বার এবং ২ গিগাহার্জ ক্লক স্পীডের একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে এটা প্রায় ২০০ কোটি বার অন-অফ সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তা। তার মানে বলা যায় বেশি ক্লক স্পীড মানেই বেশী পাওয়ারফুল প্রসেসর অর্থাৎ বেশি স্পীড। তবে এখানে আবার  কিছু কথা আছে সেটা হলো তা নিয়ে একটু পরই আলোচনা করছি।

.প্রসেসরের স্পীড আরো একটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে সেটা হল এর কোর সংখ্যা। কোর কে আপনি হাতের সাথে তুলনা করতে পারেন। বেশি কোর মানেই একাধিক কাজ একসাথে করার ক্ষমতা। এটি সব  মোবাইল, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ সব গুলোর ক্ষেত্রে একই বলা যায় সকল ডিভাইসেই। ডুয়াল কোরের চেয়ে কোয়াড কোরে একাধিক কাজ বেশি স্মুথলি আর দ্রুত করা যায়।

.এখন প্রশ্ন তাহলে কোর আই থ্রি বা কোর আই ফাইভে কয়টা কোর থাকে? সেটা অবশ্যেই প্রসেসরের স্পেসিফিকেশন দেখে জেনে নিতে হবে। তবে সাধারণত দেখা যায় কোর আই থ্রি তে কোর সংখ্যা ২ এবং কোর আই ফাইভ ও সেভেন এ কোর সংখ্যা চারটি থাকে। তবে আরো বেশি কোর মানেই বেশি এনার্জির প্রয়োজন। তাই বলতে পারি বেশি কোরের প্রসেসর বেশি পাওয়ার কনজিউম করে। তাহলে আপনি যদি এক সাথে একাধিক এপ্লিকেশন চালাতে চান মানে, মাল্টি টাস্কিং করতে চান তবে বেশি কোরের প্রসেসর নেবেন ।  তার জন্য ল্যাপটপে বা পিসিতে পাওয়ার ব্যাকআপ কিছুটা কম পাবেন। আর যদি এই কাজ না ই করেন তবে শুধু শুধু বডি বিল্ডার  মানে চার্জ খাওয়ানোর দরকারটাই কি? সুতরাং এখন সিদ্ধান্ত আপনার কি কাজ করবেন আর তার জন্য কোন টা আপনার প্রয়োজন? প্রসেসিং পাওয়ার অথবা চার্জ। তবে আমি পরামর্শ দেব অবশ্যেই পাওয়ারফুল প্রসেসর নিবেন।

.ফিরে আসি আগের আলোচনায়। বেশি ক্লক স্পীড মানেই বেশি স্পীড তবে সেটা সেইম জেনারেশনার আর সেইম মডেল গুলোর কম্পারিজনের ক্ষেত্রেই সত্য। মানে ডুয়াল কোর 2.5 GHz এর চেয়ে অবশ্যেই 3.0 GHz বেটার পারফর্ম করে আবার ডুয়াল কোর 3.0 GHz এর চেয়ে বলা যায় Core i3 2.8 GHz অনেক বেটার পারফর্ম করবে, এবং Core i7 2.0 GHz আরো বেশি ভালো পারফর্ম করে বলাই যায়।

একইভাবে আরো 3rd Generation এর Core i7 3.0 GHz এর চেয়ে আবার 8th Generation এর Core i3 2.0 GHz অনেক ভালো পারফর্ম করবে। যদিওবা 8th Generation Core i3 তে 3rd Generation এর Core i 7 এর চাইতে কোর সংখ্যা কম আর ক্লক স্পীড তো কমই হবে এটা বলাই যায়।

.কি? কনফিউজড?

মনে আপনার প্রশ্ন আসবে তবে বুঝবো কি করে কোন প্রসেসর বেটার হবে?

সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটে কম্পেয়ার করে দেখে নেওয়া এবং প্রসেসরের বেঞ্চমার্ক দেখা অবশ্যেই। নিচে ওয়েবসাইটের লিংক দেয়া আছে এখান থেকে কম্পেয়ার করে নিতে পারেন।

https://cpu.userbenchmark.com/Compare/Intel-Core-i7-3770-vs-Intel-Core-i3-8100/1979vs3942

.ল্যাপটপ কেনার সময় কি কি বিষয় বিবেচনা করতে হবে তা নিয়ে একটি টিউটোরিয়াল রেডি করছি। 

কিভাবে নতুন পিসি বা ল্যাপটপ বিল্ডআপ করবেন? যন্ত্রাংশের দাম পার্টঃ ১

ল্যাপটপ বাইং গাইড নামে টিউটোরিয়ালটি শীঘ্রই আসছে। সে পর্যন্ত ভালো থাকুন আর জানতে থাকুন বিভিন্ন তথ্য। আর কোন হেল্প লাগলে অবশ্যেই মেসেজ দিবেন। 


~shahiL.

ইন্টেলের পরবর্তী চিপ কবে আসবে? ইন্টেলের পরবর্তী জেনারেশন এর 7nm চিপ ।।




No comments

Theme images by luoman. Powered by Blogger.