এই করোনা যুগের পরে আমাদের দেশ এবং সারা পৃথিবীতে যোগাযোগ, টেকনোলজি, কালচার/ সংস্কৃতি, জব সেক্টর, স্টাইল অব লিভিং কেমন হতে পারে

এই করোনা যুগের পরে আমাদের দেশ এবং সারা পৃথিবীতে যোগাযোগ, টেকনোলজি, কালচার/ সংস্কৃতি, জব সেক্টর, স্টাইল অব লিভিং কেমন হতে পারে


"পরিবর্তন" আহ শব্দটার মধ্যে কেমন যেন একটা মাধূর্য মিশানো আছে। পৃথিবীর প্রতিটি পদার্থই পরিবর্তনশীল। তবে প্রত্যেকবার পরিবর্তন হওয়ার পিছনে অবশ্যেই সবসময় একটা ধাক্কা খুব জরুরি। একটু বিজ্ঞানের দিকে গেলে দেখা যাবে, সাইনটিস্ট নিউটন বলেন, প্রতিটি জড়ো পদার্থের মধ্যে যদি বাহ্যিক কোন বল প্রয়োগ করা না হয় তাহলে স্থীর বস্থু চিরকাল স্থীর ই থাকবে। একটা উদাহরণ দেই, মানুষ তো চলমান, তাহলে বাহ্যিক বল কেন প্রয়োজন হবে বললাম? মানুষ চলমান ঠিকই তবে তা আক্ষরিক অর্থে। এই কারনেই পরিবর্তন শব্দটা কেমন যেন আক্ষরিক মনে হয় মাঝে মাঝে। আমরা পরিবর্তীত হয়ে আদর্শবান হচ্ছি নাকি আধুনিক হচ্ছি? তাহলে প্রাক্কালে যে বড় বড় দুর্যোগ গুলো আসে সেটা কেন আসে? বর্তমানের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব কেন হচ্ছে? প্রকৃতোর্থে আমার কাছে মনে হয়, এই প্রত্যেকটা মহামারীই হলো এক একটা ধাক্কা। সৃস্টিকর্তা মানুষকে মনে করিয়ে দেয়৷ বর্তমানের চলমান করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব এর পরেও অনেক অনেক পরিবর্তন আসবে। যেটা দেখার মতন। অতীত ইতিহাস ঘাটলে দেখা যাবে যে, এইরকম এক একটা মহামারীর পর পৃথিবীর কি পরিমান পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ঠিক বর্তমানে চলমান করোনা ট্রাজেডির পরেও এইরকম একটা পরিবর্তন এর হাওয়া সবার মধ্যে লাগবে।

সবচেয়ে বড় যে পরিবর্তন টা আসতে চলেছে সেটা হলো, মানুষের "স্টাইল অফ লিভিং"। মানুষ পরিবর্তন হচ্ছে ঠিকই কিন্তু তারা তাদের ধর্ম,বর্ন এবং আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হয়ে যাচ্ছে। যার ফলো দশা তার উপলব্ধি করতে পারতেছে। বর্তমানের করোনা ভাইরাস এর মধ্যে দিয়ে। মানুষ আজ উদ্ভ্রান্ত চলাফেরায় মত্ত। আত্মউপলোব্ধিবোধ একেবারেই নেই কারো মধ্যে,এটা অনেক বৃদ্ধি পাবে। উদাসীন মনোভাব নিয়ে চলা ফেরা কিছুটা পরিবর্তন আসবে। জীবন ধারন, সুস্থ সামাজিক ভাবে চলা ফেরার জন্যে পরিবেশ যে খুব দরকারী এটা মানুষ খুব ভালো উপলব্ধি করতে পারবে। মানুষ স্বাস্থ্য নিয়ে অনেক সচেতন হবে। আমাদের বেচে থাকার জন্যে যে পরিবেশ টাও পরিস্কার রাখতে হবে এটা মানুষ খুব ভালো ভাবে বুঝতে পারবে।

কালচার বা সংস্কৃতির কথা যদি বলি তাহলে বলা যায় বর্তমানের মানুষ তারা তাদের নিজেস্য সংস্কৃতি ভুলে অন্যের কালচার নিজের মধ্যে ধারন করার একটা প্রবনতা দেখা যায়। এটা থেকে মানুষ বেরিয়ে আসবে। বিশেষ মুসলিম দেশের এশিয় উপমহাদেশের মানুষেরা তারা তাদের নিজেস্যে কালচার বাদ দিয়ে পশ্চিম্যে কালচার নিজের মধ্যে ধারন করে। কালচার পরিবর্তন হবে তখন যখন মানুষ তার নিজেস্যে ধর্মের প্রতি অনুরাগ বারবে তখন । কারন বিশ্বের প্রতিটা ধর্মেই মানব সভ্যেতার ভালোর জন্যে বলা হয়েছে। একটা ছোট্ট উদাহরন দেই, বর্তমানে মানুষ মদ ছিগারেট ফ্যাশনের জন্যে খায়। প্রায় প্রত্যেকটা ধর্মেই এটা নিষিদ্ধ করা আছে।

টেকনোলজির একটা বড় পরিবর্তন আসবে কারন, মানুষ বর্তনামে জন্ম থেকে মৃত্যু অবধি টেকনোলজি কেন্ড্রিক চলাফেরা। তাই পরবর্তিতে দেখা যাবে টেকনোলজি সেক্টর গুলো নতুন নতুন ইনোভেষন সব আইডিয়া দিয়ে নতুন নতুন যন্ত্রপাতির আভির্ভাব হবে। সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসতে পারে আর্টিফিসিয়াল টেকিনোলজি গুলোতে। কারন বর্তমানে মানুষ সহজ ল্ভ্যে ভাবে কাজ করতে পছন্দ করে। তার প্রেক্ষিতে ধরেই নেওয়া যায় এই ফিল্ডে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হবে।

যোগাযোগের যে দিকটার সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আসতে পারে বলে আমার মনে হচ্ছে সেটা হলো, নিজেদের মধ্যে কমিউনিকেশন গ্যাপ টা কিছুটা কমে আসবে। মানুষ আজকাল যন্ত্রকেন্ড্রিক হয়ে যাচ্ছে দিন কে দিন। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ব্যাবস্থা নাই বললেই চলে। এই অবস্থায় মানূষ বুঝতে পারবে যে, যে কেউ কোন সময় মারা যেতে পারে । মৃত্যু খুব কাছে সেইকারনে নিজের কমিউনিটির সাথে সবার আগে যোগাযোগ ব্যাবস্থার একটা পরিবর্তন আসবে।

জব সেক্টর গুলোতেও পরিবর্তনের কিছুটা হাওয়া লাগবে তবে, জব সেক্টরে তখন ই পরিবর্তন সাধিত হবে যখন উপরোক্ত বিষয় গুলোর পরিবর্তন সাধিত হবে। কারন এই ফিনল উপরোক্ত বিষয় গুলোর সাথে সম্পৃত বলা যায়। নতুন নতুন অনেক ফিল্ড গরে উঠবে সেখানে মানুষের নতুন নতুন সুযোগ গরে উঠবে আশাকরা যায়। বিশেষ করে চিকিতসা জব সেক্ট্র গুলোতে সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন হবে। প্রতিটি দেশ কেন্ড্রিক নতুন নতুন রিসার্চার ল্যাব গরে উঠতে পারে।
তো উপরোক্ত এইবিষয়গুলোর ই হয়তো সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন আশার আশংকা করা যায়।




No comments

Theme images by luoman. Powered by Blogger.