Book Review : BANGLADESH STATE OF THE NATION
BANGLADESH STATE OF THE NATION
শুরু কথা:প্রথমে বইয়ের একটি লাইন লিখে শুরু করতে চাই, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর মধ্যেবাংলাদেশ সম্ভবত সব-চেয়ে বেশি সমগত্রীয়। বইটির মধ্যে আমাদের এই ছোট্ট দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে । তিনি সেখানে আলোক পাত করেছেন যে দেশের সাধারন মানুষের মধ্যে কিভাবে উন্নয়ন এর ছোয়া লাগবে ভবিষ্যৎ এর মাধ্যেমে। একটা দেশের মধ্যে কিভাবে দেশ প্রেম জাগ্রত করতে পারবে। তা দ্বরা ভবিষ্যৎ কিভাবে আরো উন্নত সমাজ গঠন করা যাবে সে বিষয়ে সুবিস্তার বিন্ন্যাস করেছেন। কয়েকটা পয়েন্ট টানতে চাই।
সমাজ ব্যাবস্থাঃ
এখানে আলোকপাত করা হয়েছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের একটি সুন্দর চিত্র । তিনি জনসংখ্যা বৃদ্ধির কথা বলেছেন । একটা সমাজ বযাস্থা কিভাবে খুব খারাপ অবস্থা থেকে ভালো একটি পর্যায়ে পৌছতে পারে। বাংলাদেশের কমিউনিটিতে একটা ব্যাপার বেশ পরিলক্ষিত করা যায় যে, এরা দলবদ্ধ ভাবে বাস করতে পছন্দ করে। দেখা যায় যে মাঝে মাঝে এটা হয়তো অনেক সুখি রাখে একটা সমাজ ব্যাবস্থা কে কিন্তু প্রক্যেত পক্ষে কিছু কঠিন ক্ষেত্রে হয়তো কাল হয়ে দারায়। নগরায়নের প্রভাব খুব খারাপ ভাবে এখনো বাংলাদেশের উপর রয়ে গেছে এই যেমন ঢাকা কেন্ড্রিক নগরায়ন এর বাইরের মানুষ গুলোকে সহরতলি হিসেবে বিবচনা করা। লেখক বুঝাতে চেয়েছেন যে, কলিকাতার উত্থান আকস্কিক হতে পারে কিন্তু চট্টগ্রাম হয়তো বড় কোন সহরের জায়গা নিতে পারতো। যায়গা যখন স্থির হয়ে যায় তখন সমস্যা গুলো স্থবীর হয়ে যায়, অবধারিত পর্যায় চলে যায়।
অর্থ-ব্যাবস্থাঃ
বইটির মধ্যে লেখক আলোকপাত করেছেন যে, একটি দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কখনো কোন দেশের অধিক জনসংখ্যার উপর নির্ধারন করতে পারে না। যেকোন দেশ উন্নত হওয়ার পিছনে জনসংখ্যার একটা বিশাল অনুপ্রবেশ আছে অবশ্যেই। একটি দেশ অনুন্নত থাকার পিছনে কখনো তার জনসংখ্যার অবস্থা থাকতে পারে না, বিশেস করে অধিক জনসংখ্যা । এটা একটি দেশের ম্যান পাওয়ার হিসেবে বিবেচনার কথা বলা হয়েছেন। লেখক বলতে চেয়েছেন যে, আমাদের দেশের উপ্ননয়নের জন্যে কৃষি থেক হস্তশিল্প আর ব্যাবসা বানিজ্য এর উপরে। সেচ ব্যবস্থা বা নদিমাতৃক দেশ হও্অয়াতে নদি গুলোর দিক ঠিক রাখা অনেক গুরুত্বপূর্ন ছিল। পানির যথাযথ ব্যাবফারের কথা তিনি উল্লেখ করেছেন।তিনি পানি এর যথাযথ ব্যাবহার এর মাধ্যেমেই এদেশের ভাগ্যের কথা লিপ্ত করেছেন। আমাদের ভবিষ্যৎ এই একটা বিষয়ের উপর সম্পূর্ন বিনযাস্ত হবে। এবং এটা পরিলক্ষিত হচ্ছে।
ভাষাঃ
একটি দেশ উন্নয়নের পিছনে ভাষার একটি অনেক বর অবধান রয়েছেই। আমাদের দেশের ভাষা বাংলা হওয়ার পিছনে । কিন্তু লেখক এখানে ভাষার চেয়েও সমগোত্রিয় ব্যাপার টা কিভাবে ব্যাবহার করি। লেখক বলতে চেয়েছেন যে, একটা জাতী যে পোশাক পরে, যেভাবে গৃহনির্মান করে,খাদ্যে প্রস্তত করা। বিভিন্ন দেশের সাথে মিলিয়ে উতসব পালন ইত্যাদি রেওয়াজ গুলো, তার প্রভাব কখনো বাইরে থাকতে পারে না। ভাষা যেটা আমাদেরকে একত্রিত করেছে সবার থেকে আলাদা করেছেন। আমরা বরাবরই জাতি হিসেবে পরিচয় বহন করতে পছন্দ করি। সেই ধারনা থেকেই আমাদের একত্রিত করেছে ভাষা । বঙ্গবন্ধুকে আমরা জাতীর হিসেবে বিবেচ্যে করি তার কারন হিসেবে লেখক এখানে উপস্থাপন করেছেন যে, দেশের প্রতি অদৃশ্যে ভালোবাসা যা আমরা সোজা বাংলায় বলতে গেলে অঘাথ ভালোবাসা।
দেশপ্রেম এবং বঙ্গবন্ধুঃ
লেখক বলতে চেয়েছেন যে এই মানুষটির প্রতি সাধারন মানুষের এই অঘাদ ভালোবাসার কারন কি? তিনি এই ভালোবাসার গভিরে যেতে চেয়েছেন। দেখাতে চেয়েছেন যে কিভাবে ভালোবাসতে হয় এবং তার প্রতিদান কিভাবে হতে পারে। এখানে দেশপ্রেম বুঝাতে গিয়ে তিনি এখানে দুইজন মানুষের কথা টেনেছেন প্রথমত গান্ধী দ্বিতীয় জিন্নাহ। একজন ভালোবাসা আরেকজনের কট্টোরপন্থি মনোভাব তার জনগনের প্রতি। লেখক এখানে বুঝাতে চেয়েছেন যে কারো প্রতি দেশপ্রেম এর কারনে আমরা তাকে খিব বেশি বিশ্বাস করে ফেলি এবং জাতী হিসেবে এটি একটি সমস্যা।
শিক্ষা-ব্যাবস্থাঃ
জাতী হিসেবে শিক্ষা ব্যাবস্থায় অমূল পরিবর্তন আনার জন্যে নারী শিক্ষা ব্যাবস্থার পরিবর্তন আনতে হবে। বাঙ্গালি সমাজের একটা বর অংশ যা এখন বাঙ্গালদেশি সমাজ ,আইনগত কাঠামো যা আরো সূদৃড় করতে হবে। আমরা যদি সমামান পর্যায় নিয়ে আসি তাহলে মনে হয় আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থা আরো উন্নত হবে। এই ব্যাপারটা হয়তো এখন পরিলক্ষিত হবে না কিন্তু ভবিষ্যৎ এর ফলাফল অনেক সুধুর প্রসারি হবে এই ব্যাপারে কারো ভ্রুক্ষেপ থাকার কথা না। আরো বেশ কিছু ব্যাপার রয়েগেছে যেমন গ্রামের ব্যাবস্থা গুলো আস্তে আস্তে করে নগরায়ন এর প্রভাব ফুটিয়ে তুলতে হবে অন্যেথায় । এদের মক্তির কোন কথা আসবে না ভবিষ্যৎ এ। কারন শিক্ষা ব্যাবস্থায় তখন ই মাইল ফলক আসবে যতক্ষনে সে দেশের সবাইকে নিয়ে আগাবে। শিক্ষা ব্যাবস্থার সাথে যেহেতু স কিছু জরিত তাই বলা যায়, আমাদের ৮ কোটি মানুষের মধ্যে ১০ ভাগ মানুষ ৮- ২৩ বছরের মধ্যে । জাতীর ভবিষ্যৎ নির্ভর জাতীসংখ্যার এই ক্ষুদ্র অংশটির উপরে। ঠিক এই অংশটায় আমাদের সবচেয়ে বড় হতাশার দেখেছেন লেখক এখানে কারন এদের প্রোপার ব্যাবস্থা সরকার করতে পারতেছে না।
“পরিশেষে বলা যায় যে, উপরোক্ত বিষয়গুলো আমাদের সমাজ বযাস্থাইয় আমূল পরিবর্তন আনতে সক্ষ্ম হতো
বলে আমার মনে উপরোক্ত বইয়ের লেখক এটাই বুঝাতে চেয়েছেন। “


No comments